timesofindia.indiatimes.com অনুযায়ী, মার্কিন অভিবাসন নীতিতে একটি বিতর্কিত পরিবর্তনের মধ্যে, সমস্ত প্রবাহিত যাত্রী, এমনকি যারা এই দেশে প্রবেশের জন্য ভিসার প্রয়োজন নেই, তাদের পাঁচ বছরের সোশ্যাল মিডিয়া ইতিহাস প্রকাশ করতে হবে। সম্প্রতি মার্কিন সরকারের দ্বারা প্রস্তাবিত এই সিদ্ধান্তে পুরনো ফোন নম্বর এবং অপ্রয়োজনীয় ইমেল ঠিকানা প্রদান করার প্রয়োজনীয়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই প্রস্তাবটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির সময় শুরু হওয়া কঠোর অভিবাসন ব্যবস্থার একটি অংশ, যার লক্ষ্য দেশটিতে ভ্রমণকারী ব্যক্তিদের উপর আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ করা। এই নতুন আইন বিশেষভাবে ভিসা অব্যাহতি পাওয়া দেশের নাগরিকদের জন্য উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, যেমন ইউরোপীয় দেশ এবং দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের মতো কিছু এশীয় দেশ। যাত্রীদের সোশ্যাল মিডিয়া ইতিহাসের পাশাপাশি অতিরিক্ত তথ্য যেমন আইপি ঠিকানা এবং জমা দেওয়া ছবির মেটাডেটা প্রদান করতে হবে। কিছু বিশেষজ্ঞ এই পদক্ষেপটিকে আরও নিরাপত্তার দিকে একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখেন, অন্যরা এটিকে গোপনীয়তা এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার লঙ্ঘন হিসাবে বিবেচনা করেন। এই পরিবর্তনগুলি ব্যবহারকারীদের এবং মানবাধিকার কর্মীদের কাছ থেকে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, যাদের মধ্যে অনেকেই উদ্বিগ্ন। এই সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি এবং বর্তমানে জনমত গ্রহণের পর্যায়ে রয়েছে। তবে, এই পদক্ষেপটি আন্তর্জাতিক ভ্রমণ এবং ব্যক্তিদের সোশ্যাল মিডিয়ার সাথে যোগাযোগের উপায়ে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। আরও ছবি এবং অতিরিক্ত তথ্যের জন্য, দয়া করে সংবাদ উৎসে যান।
قوانین جدید ورود به ایالات متحده: افشای تاریخچه رسانههای اجتماعی الزامی شد!
সারাংশ: timesofindia.indiatimes.com অনুযায়ী, মার্কিন অভিবাসন নীতিতে একটি বিতর্কিত পরিবর্তনের মধ্যে, সমস্ত প্রবাহিত যাত্রী, এমনকি যারা এই দেশে প্রবেশের জন্য...